কোনো কিছুই অতিরিক্ত করা ভালো নয়। ঘুমের বেলায় এটি প্রযোজ্য। শরীর সুস্থ থাকার জন্য একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানোই যথেষ্ট। তবে এর চেয়ে অতিরিক্ত বেশি ঘুমালে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য এটি ক্ষতিই ডেকে আনবে। এছাড়া গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকাও স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এতে ডায়াবেটিকসহ হৃদরোগ ও কিডনীরোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে রাতের ঘুম সবার জন্যই অনেক বেশি জরুরি।
অতিরিক্ত ঘুমালে যেমন স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। আবার কম ঘুমালেও স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে। অতিরিক্ত ঘুমালে একজন ব্যক্তির যেসকল ক্ষতি হতে পারে। যেমন-
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে
টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে ব্যক্তি ৯ ঘন্টার বেশি ঘুমায় এমন ব্যক্তির শরীরে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেশি। এছাড়া তার জন্য হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে।কারণ, দীর্ঘ সময় ঘুমানোর ফলে শারীরিক ক্রিয়াকলাপ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়।
ডিপ্রেশন বাড়ে
দীর্ঘ সময় ঘুমানোর ফলে আপনার মেজাজকে প্রভাবিত করতে পারে এবং এটি হতাশার দিকেও নিয়ে যেতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ ঘুম শারীরিক ক্রিয়াকলাপকে হ্রাস করে। আর এর প্রভাব মন মেজাজের ওপরেও পড়ে।
হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে
আমেরিকান জার্নাল অফ কার্ডিওলজির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ সময়ের ঘুম বাম ভেন্ট্রিকুলারের ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে, যা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়।
ক্লান্তি বাড়ে
অতিরিক্ত ঘুমানোর ফলে শরীরের মেদ জমে যায়। আর এতে শরীর ক্লান্ত লাগে। সারা দিন ঘুম পায়। বারবার ক্লান্তি আসে।
পিঠে ব্যথার সমস্যা
অতিরিক্ত ঘুমালে পিঠে ব্যথা অনুভব হতে পারে। এছাড়া ঘাড় এবং কাঁধে ব্যথা দেখা দিতে পারে।
স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়
গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় ঘুমানোর কারণে স্ট্রোকের ঝুঁকি ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। যেসব নারীরা ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা ঘুমান, তাদের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/সাখা/আরএএম