রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬

২৪ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬

২৪ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : স্বাস্থ্য

'ঘরের বাইরে যাবেন না', চীনে আরো তিন শহরে নির্দেশ


DhakaReport24.com || 2020-02-06 12:14:00
'ঘরের বাইরে যাবেন না', চীনে আরো তিন শহরে নির্দেশ


চীনের কর্তৃপক্ষ বলছে, করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে তারা তাদের প্রচেষ্টা আরও জোরদার করেছে এবং আরো তিনটি নগরীর প্রায় এক কোটি আশি লাখ মানুষকে এখন তাদের ঘরে থাকতে বলা হয়েছে।

চীনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচশো জনের মৃত্যু ঘটেছে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এখন চীন যা করছে, তাকে অনেকটা যুদ্ধপ্রস্তুতির সঙ্গেই তুলনা করা যায়।

সাংহাই নগরী থেকে প্রায় ১০০ মাইল দূরের শহর হাংজুতে চীনের বিশাল প্রযুক্তি কোম্পানি আলিবাবার সামনের রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে ঘেরাও করে রাখা হয়েছে, আর মাথার ওপর চক্কর দিচ্ছে যুদ্ধ বিমান।

আলিবাবার এই ভবনটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। হাংজুর ঐ এলাকায় একটি বাড়ি থেকে প্রতি দু'দিনে একজন মাত্র লোককে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হচ্ছে।

একের পর এক নগরীতে লাখ লাখ মানুষকে তাদের ঘরে থাকতে বলা হচ্ছে, যাতে এই ভাইরাস আরও না ছড়ায়।

আরও তিনটি নগরীতে নতুন করে এরকম নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, যার আওতায় পড়েছে প্রায় এক কোটি আশি লাখ মানুষ।

যে উহান নগরী থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল, সেখানে বড় বড় খেলার মাঠ এবং অনুষ্ঠানের জায়গায় অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছে - যাতে অসুস্থদের চিকিৎসার জন্য আরও দশ হাজার শয্যার ব্যবস্থা করা যায়।

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ

চীন ছাড়া মোট ২৫টি দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ হয়েছে থাইল্যান্ডে, মোট ২৫ জন।

এর পরেই আছে জাপান ও সিঙ্গাপুর - মোট সংক্রমিত লোকের সংখ্যা যথাক্রমে ২০ ও ১৮ জন।

চীনের মূল ভূখন্ড থেকে আসা লোকজনকে ১৪ দিন বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টিনে রাখার নির্দেশ দিয়েছে হংকং । তবে চীনের সঙ্গে সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ার আহ্বান এখনো বিবেচনা করছে না হংকং এর কর্তৃপক্ষ। তবে চিকিৎসাকর্মীরা এমন দাবি তুলেছেন।

জাপানের ইয়োকোহামা বন্দরে একটি প্রমোদতরীতে ১০ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।

জাহাজটিতে ৩ হাজার ৭শ আরোহী ছিল, এবং সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের প্রায় ৩০০ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি আছে কিনা তা পরীক্ষা করা হয়েছে।

সংক্রমিত লোকদের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তবে বাকিদের জাহাজেই কোয়ারেন্টিন করে রাখা হয়েছে।

ভিয়েতনামেও দশজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

হংকং ঘোষণা করেছে, চীনের মূল ভুখন্ড থেকে আসা যে কাউকে বাধ্যতামূলকভাবে দু সপ্তাহ কোয়ারেনটিন করে রাখা হবে, অর্থাৎ জনবিচ্ছিন্ন অবস্থায় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এইচএমএল