রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : স্বাস্থ্য

নিপাহ ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে আইসিডিডিআরকে অর্থসহায়তা দিবে সেপি 


DhakaReport24.com || 2022-03-16 09:51:00
নিপাহ ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে আইসিডিডিআরকে অর্থসহায়তা দিবে সেপি 

নিপাহ ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে গবেষণা শুরু করছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)। এ গবেষণা পরিচালনার জন্য নয় লাখ ৮০ হাজার ডলার আর্থিক সহায়তা করবে করবে দ্য কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনস (সেপি)।

গবেষণায় মারাত্মক নিপাহ সংক্রমণ থেকে বেঁচে যাওয়া ৫০ জনের বেশি ব্যক্তি অংশ নেবে। ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের শরীরের তৈরি হওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা চিহ্নিত করা হবে। পাশাপাশি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে ভাইরাসটির পরিবর্তন হয় তা জানার চেষ্টা করা হবে। এসব নতুন তথ্য ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা, চিকিত্সা ও ভ্যাকসিনের জন্য টুলস তৈরিতে সাহায্য করবে। গবেষণাটি পরিচালিত হবে বাংলাদেশে। যেখানে প্রতি বছরই নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে।

সেপি এরই মধ্যে মালয়েশিয়ায় ইউনিভার্সিটি অব মালয়ার সঙ্গে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তিদের নিয়ে অনুরূপ কার্যক্রম চালাচ্ছে। আইসিডিডিআর,বির এ গবেষণা নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি করবে ও একই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাবিষয়ক তথ্য উপাত্ত নথিভুক্ত করবে এবং মালয়েশিয়ার আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিপাহ স্ট্রেইনের সঙ্গে তুলনা করা হবে।

এ ভাইরাস সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির পাশাপাশি নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের থেকে প্রাপ্ত বায়োলজিক্যাল উপাদানগুলো নিপাহ ভ্যাকসিনের আসন্ন দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা হবে। ২০২২ সালের মাঝামাঝিতে এ গবেষণা শুরু হবে। এ গবেষণার টুলস ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মানদণ্ড উন্নয়নে সহায়তা দেবে।

এ প্রকল্পে সেপির অর্থায়নে ক্লিনিকাল ট্রায়াল ও নতুন নিপাহ বা আসন্ন সংক্রামক রোগের নতুন প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের স্থানীয় পরীক্ষাগারের সক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা করবে। যা শক্তিশালী ও কার্যকর বৈশ্বিক সমন্বয়ের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং প্রসারিত করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

১৯৯৮ ও ১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে শনাক্ত হওয়ার পর নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে- বাংলাদেশ, ভারত ও ফিলিপাইনে। আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলজুড়েও টেরোপাস বাদুড় পাওয়া গেছে। যেখানে দুইশ কোটিরও বেশি মানুষের বাসস্থান। ভবিষ্যতে এই ভাইরাস আরও এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।