আজ শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) করোনা প্রতিরোধে দেশব্যাপী ১ কোটি টিকা দেওয়া হবে। এই কর্মসূচিতে সিনোফার্মা ও সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। ভোটার আইডি কার্ড, জন্মনিবন্ধন সনদ নিয়ে গেলেই টিকা পাবেন নাগরিকরা। এ ছাড়া যাদের ভোটার আইডি কার্ড, জন্মনিবন্ধন নেই তারা নিজ ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দিয়েও টিকা নিতে পারবেন। আর মোবাইল না থাকলে তার নাম-ঠিকানা নিয়ে টিকা দেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এক দিনের এই বিশেষ কর্মসূচিতে গ্রামীণ এলাকায় ১৬ হাজার এবং শহর এলাকায় ৮ হাজার ৫০০টি কেন্দ্র থাকবে। যেখানে ৭০ হাজারের বেশি টিকাদানকারী এবং স্বেচ্ছাসেবক কাজ করবে। গ্রাম, শহর, সিটি করপোরেশন এলাকায় বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ টিকা কেন্দ্রের মাধ্যমে বাদ পড়াদের প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৭৫টি কেন্দ্রে কোভিড-১৯-এর গণটিকা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতি ওয়ার্ডে ৯টি করে কেন্দ্র হিসেবে দক্ষিণ সিটির সর্বমোট ৬৭৫ কেন্দ্রে এই টিকাদান কার্যক্রম চলবে। প্রতি কেন্দ্রে ৫০০ জনকে টিকা প্রয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে পরিচালিত হতে যাওয়া এই কার্যক্রমে সর্বমোট ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ জনকে টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গণটিকা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ডে ৫৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এতে বুথ রয়েছে ৪৮৬টি। কোনো ধরনের নিবন্ধন ছাড়াই কেন্দ্রগুলোতে টিকা পাওয়া যাবে। টিকা শেষে টিকা গ্রহীতাকে টিকার সনদও প্রদান করা হবে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মো. শামসুল হক বলেন, জনসংখ্যার ৭০ শতাংশকে টিকার আওতায় আনার জন্য এই ক্যাম্পেইন হাতে নেওয়া হয়েছে। গ্রাম, শহর, সিটি করপোরেশন সব এলাকায় গণটিকা কার্যক্রম চলবে। ভ্রাম্যমাণ টিকাকেন্দ্র করে হাটবাজার এলাকায় টিকা দেওয়া হবে।