নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চারপাশে পু্লিশি পাহারা রেখে ‘ক্রাইম সিন’ ব্যারিকেট তুলে নিয়েছে সিআইডি। কার্যালয়ের কলাসিবল গেইট তালা দিয়ে বন্ধ আছে। পুলিশের কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, গভীর রাতে ‘ক্রাইস সিন’ স্টিকার তুলে নেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিএনপিসহ সমমমনা জোটগুলোর ডাকে তিনদিনের সারাদেশের ‘সর্বাত্মক’ অবরোধ শুরু হয়েছে।
নয়া পল্টনের সড়কের প্রতিটি গলিতে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা পাহারা রয়েছে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দুই পাশে পুলিশ অস্ত্র হাতে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। কার্যালয়র সামনের ফুটপাত দিয়ে পথচারিতে চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে কার্য্ত কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ।
নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশে সাধারণ মানুষকে দাঁড়াতে দেয়া হচ্ছে না। কেউ অফিসের কাছে এসে দাঁড়ালে তাদের পুলিশ চলে যেতে তাগাদা দিচ্ছে।
গত ২৮ অক্টোবর নয়া পল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ পুলিশ পন্ড করে দেয়ার পর রাতেই তারা কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ করে ফেলে। এরপর সকাল থেকে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট হলুদ স্টিকার দিয়ে কার্যালয় বন্ধ করে দেয়। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট কার্যালয়ের সামনে থেকে ১১টি আলামত সংগ্রহ করে তা কেমিক্যাল ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়।
এদিকে সকাল ৯টার দিকে অবরোধের সমর্থনে বিজয়নগর পানির ট্যাংকের কাছ থেকে পল্টনের মোড় পর্যন্ত ৩০/৪০ জনের মিছিল করে ছাত্র দল। তারা ‘ভোট চোর ভোট চোর, শেখ হাসিনা ভোট চোর’, এক দফা এক দাবি, শেখ হাসিনার কবে যাবি’ ইত্যাদি শ্লোগান দেয়। পল্টনে মোড় থেকে ছাত্র দলের নেতা-কর্মীরা চলে যায়।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম