রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

পরীক্ষামূলক ট্রেন চলল আখাউড়া-আগরতলা রুটে


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
DhakaReport24.com || 2023-09-14 20:15:00
পরীক্ষামূলক ট্রেন চলল আখাউড়া-আগরতলা রুটে

আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল করেছে। হলুদ রঙের চারটি খালি বগি নিয়ে একটি কনটেইনার ট্রেন আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার গঙ্গাসাগর ছেড়ে যায়। ট্রেনটি ভারতের সীমান্তবর্তী শিবনগরে গিয়ে সফলভাবে ফিরে আসে।


পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল সফল হওয়ায় শিগগিরই রেলপথটির উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। তবে উদ্বোধনের তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। উদ্বোধনের পর প্রথম দিকে পণ্যবাহী ট্রেন এবং পরবর্তীতে যাত্রীবাহী ট্রেনও চালানো হবে এই রুটে। 


ট্রেনের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন ১৫ কিলোমিটার থেকে সর্বোচ্চ ৪০ কিলোমিটার ছিল বলে লোকো মাস্টার সাজু কুমার দাস জানান। প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক রুটের ট্রেন চালাতে পেরে উচ্ছ্বসিত চালক বলেন, ‘আমি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন পরিচালনা করি। যাত্রা পথে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণের কর্মযজ্ঞ দেখতাম। সেই রেলপথে ট্রেন চালানোর দায়িত্ব পেয়ে ভীষণ আনন্দিত। এটি আমার কাছে অনেকটা স্বপ্নের মতো।’ 

আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথের বাংলাদেশ অংশের প্রকল্প পরিচালক মো. আবু জাফর মিয়া জানান, সফলভাবেই ট্রায়াল রান সম্পন্ন হয়েছে। এখন উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত রেলপথটি। তবে উদ্বোধনের তারিখ এখনো নির্ধারণ হয়নি। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে এই মেগা প্রকল্পটি উদ্বোধনের কথা রয়েছে। 

এ বিষয়ে টেক্সমেকো রেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজার শরৎ শর্মা বলেন, ‘প্রকল্পের ৯৯ ভাগ কাজ শেষ। এখন কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন ভবনের ফিনিশিং কাজ চলছে। তবে উদ্বোধনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত আছে রেলপথ। এই রেলপথে ৭৯ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চালানো যাবে। তবে বাঁক বেশি থাকায় হয়তো সম্পূর্ণ গতিতে ট্রেন চালানো হবে না।’ 

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৮ সালের জুলাইয়ে ভারতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেক্সমেকো রেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের নির্মাণকাজ শুরু করে। ১২ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের রেলপথের বাংলাদেশ অংশ ৬ দশমিক ৭৮ কিলোমিটার। করোনা মহামারিসহ নানা সংকটে দেড় বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সময় লেগেছে পাঁচ বছরেরও বেশি।

ঢাকা রিপোর্ট ২৪.কম/এমআর/আরএএম