রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে ইইউ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কথা হয়নি: তথ্যমন্ত্রী


DhakaReport24.com || 2023-07-12 16:13:15
তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে ইইউ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কথা হয়নি: তথ্যমন্ত্রী

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কোনো কথা হয়নি বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের আইনে আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে। নির্বাচনের সময় কমিশনের আওতাভুক্ত থাকবে সব কিছু। সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে আসুক, প্রতিনিধি দলকে সেটা বলা হয়েছে।

বুধবার (১২ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে নিজ দফতরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা কী হবে তা জানতে চেয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দল। জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, ইউরোপের মতো বাংলাদেশে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিবন্ধিত না। কাজেই এসব মাধ্যমে ছড়ানো গুজব ঠেকানোই এখানে বড় চ্যালেঞ্জ।

একই দিন দেশের প্রধান দুই দলের কর্মসূচি নিয়ে প্রতিনিধি দল কোনো কথা বলেছেন কি না এমন প্রশ্নে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেখুন, রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। নির্বাচনের সময়ে আমাদের মন্ত্রণালয় কী ভূমিকা রাখবে, সেটি জানতে চেয়েছে। আমরা বলেছি, বাংলাদেশের মিডিয়া হচ্ছে প্রাইভেট। বাংলাদেশে বিটিভি একটি চ্যানেল, আর ৩৫টি প্রাইভেট চ্যানেল সম্প্রচারে আছে। আমাদের চ্যালেঞ্জ, সামাজিক মাধ্যমে যে গুজব ছড়ানো হয়, সেটি। তাতে করে দেশে হানাহানি তৈরি হয়েছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যে বিষয়টি আলোচনায় উঠে এসেছে, সামাজিক মাধ্যমের প্ল্যাটফরমগুলোর রেসপনসিবিলিটি (দায়িত্বশীলতা) আছে। আপনারা জানেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ বছরই আইন সংশোধন করেছে। তারা বলেছে, প্রতিটি সামাজিক মাধ্যমকে ইউরোপে নিবন্ধিত হতে হবে।’


তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ সব সামাজিক মাধ্যমকে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী নিবন্ধিত হওয়ার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বলে এসেছি। কিন্তু এখনো হয়নি। ইউরোপে কিন্তু আইন সংশোধন করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি ফ্রেমওয়ার্ক ল’ তৈরি করেছে। সব সামাজিক মাধ্যমকে ইউরোপে নিবন্ধিত হতে হবে। আইন অনুসারে তারা এটি করতে বাধ্য। আমাদের দেশে এখনো তারা নিবন্ধিত হয়নি। এটি অবশ্যই বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা অতীতে দেখেছি, কোনো গুজব যখন ছড়ানো হয়, বিতর্কিত পোস্ট যখন দেওয়া হয়, সেটি যখন আমরা সরাতে বলি, তখন তা সরানো হয়। আবার যখন সরায়, তখন ক্ষতি যা হওয়ার হয়ে যায়। কারণ গুজব তো কয়েক ঘণ্টায় ছড়ায়, যদিও বা তারা সেটি সরায়, সেটা মাত্র ১০ শতাংশ। ৯০ শতাংশ তারা সরায় না। এতে সামাজিকভাবে হানাহানি তৈরি হয়। এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ, আমরা এটি নিয়ে আলোচনা করেছি।’

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আরেকটি বিষয় আমি তাদের বলেছি, ইউরোপের যেসব দেশ থেকে তারা এসেছে, একজন গ্রিস, আরেকজন ইতালি ও আরেকজন পর্তুগাল থেকে। সেখানেও যে সরকার ক্ষমতায় থাকে, তারাই নির্বাচন পরিচালনা করে। আইনানুসারে, আমাদের দেশেও তাই হবে। আমরা তাদের সেটি জানিয়েছি। কিন্তু নির্বাচনের সময় সরকারের রুটিন কাজ করা ছাড়া আর কোনো ক্ষমতা থাকে না। সরকারের সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো, যারা নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাদের চাকরি নির্বাচন কমিশনের হাতে ন্যস্ত হয়। সেটি তাদের জানিয়েছি। নির্বাচন কমিশন খুবই শক্তিশালী এবং তারা খুবই সক্রিয়।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম