রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

ক্রেডিট কার্ডে দেওয়া যাবে পদ্মা সেতুর টোল


DhakaReport24.com || 2022-06-12 19:54:30
ক্রেডিট কার্ডে দেওয়া যাবে পদ্মা সেতুর টোল

পদ্মা সেতুর চালু হওয়ার পর ক্যাশের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ডেও টোল দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কা‌দের । আজ রবিবার (১২ জুন) বিকেলে পদ্মা সেতুর মাওয়া অংশ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, দু‌টো পদ্ধ‌তি‌তেই টোল দেওয়া যা‌বে। ক্যাশেও দেওয়া যা‌বে, ক্রেডিট কার্ডেও দেওয়া যা‌বে। পরে এ বিষয়ে বিস্তা‌রিত জানান সেতু বিভা‌গের স‌চিব মো. মনজুর হো‌সেন। স‌চিব ব‌লেন, টোল আদায় ম্যানুয়াল ও অটোমেশন দুই পদ্ধতিই চলবে। প্রথমে একটি কাউন্টারে অটোমেশন হবে। পর্যায়ক্রমে অন্যগুলোতে করা হবে। তবে আমরা শুরুতে অটোমেশনে যাচ্ছি না। টোল আদায়ের যারা দায়িত্ব পেয়েছেন, তাদের ছয় মাস লাগবে। এরপর তারা একটি কাউন্টারে অটোমেশন চালু করবে।

 স‌চিব মঞ্জুর হো‌সেন বলেন, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে নগদ টাকা প্রদান এবং ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টোল প্রদান করা যাবে। ওবায়দুল কা‌দের বলেব, পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ কাজ শেষ। এখন চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি। আগামী ২৫ জুন উদ্বোধনের পর ২৬ জুন সকাল ৬টা থেকে পদ্মা সেতুতে যানবাহন চলবে। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু এখন স্বপ্ন নয়, এটি দৃশ্যমান বাস্তবতা। এটি আমাদের সামর্থ্য ও সক্ষমতার সেতু। একদিকে সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক। পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনো দুর্নীতি হয়নি বলে এ সময় দাবি করেন সেতুমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, যত সমালোচনা হয়েছে আমাদের মনোবল আরও দৃঢ় হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে।বিশ্বব্যাংক ভুল স্বীকার করেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মাসেতু। এরপর পর একে একে ৪২টি পিলারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছে ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দু’টি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হয়েছে সেতুটি।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/টিএইচ/আরএএম